-তানভীর আলাদিন
শিশুদের স্বভাব সামান্য ব্যাথায় মা
বলেই চিৎকার করা। ছুটে এসে মা
আগলে নেন তাঁরই স্নেহের আঁচলে
এটিই মায়েদেরও চিরন্তনী স্বভাব।
মাইলস্টোনে সেদিন বিধ্বস্ত বিমানের
লেলিহান শিখায় দ্বগ্ধ কোমলমতিরা
মাকে খুঁজে ব্যাকুল: মা তুমি কোথায়?
আমি ও আমরা যে পুড়ে যাচ্ছি মাগো!
সন্তানের আর্তচিৎকারে ব্যাকুল জননী
স্নেহময়ী মাতৃত্বের মনের সঙ্গে হাতটাও
ঢুকিয়ে দিলেন জ্বলন্ত ওই কুণ্ডলীতেই
মায়ের আঁচল ছায়ায় বাঁচলো কতেক!
নির্লজ্জ আগুন: মা চেনেননি! চেনেনি
স্নেহের আঁচল! মুহুূর্তেই দাউ-দাউ করে
চালাতেই লাগলো সে ত্রাসের আগ্রাসন
মা পুড়ে মরলেও, বেঁচে যায় মায়ের মন!
নীলফামারীর জলডাকায় তোমার সমাধি
সেথায় ঘুমাও তুমি জগৎজননী মাহেরীন-
আমাদের কাছে তুমি: মালালা, আনাফ্রাঙ্ক
সামান্থা স্মিথ ও তেরেসার মতো অমলিন।
তোমার নাড়িছেঁড়া অবুঝেরা এখন কাঁদছে
একদিন ওরাও জানবে- একুশ জুলাই মানে
‘মাদার মাহেরীন ডে’ জগৎজননীর আখ্যান!
গর্ভের গর্বে ওরা বলবে: মা তোকে সালাম।