সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
বিয়ের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ জালালের বিরুদ্ধে  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরও ফের শোন-অ্যারেস্ট শাহেদ দুর্নীতিতে ওস্তাদ ওয়াসার হারুন অর রশিদ বায়রা সদস্য কল্যাণ পরিষদের সদস্য সম্মাননা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গণপূর্তের দুর্নীতিবাজ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেনের দুর্নিতির গল্প আওয়ামীলীগ থেকে রাতারাতি বিএনপি নেতা বনে যাওয়া আব্দুল হক লালমনিরহাট ডিপ্লোমা টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন অধ্যক্ষ রেজাউল করিম হোসাফ পাওয়ারের ব্যাপক অর্থ কেলেঙ্কারি

এনবিআর কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শাওনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ 

আদিত্যর রহমান
আপডেট : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ

 

সরকারি চাকরি কারো কারো কাছে যেন সোনার হরিণ। আর এই সোনার হরিণ হাতে পাওয়ার পরে বদলে যায় অনেকের ভাগ্যের চাকা। তেমনি একজন কর্মকর্তা এনবিআরের আব্দুল্লাহ শাওন। মাত্র তিন বছরের কিছু সময় বেশি চাকরিজীবন, অথচ এরই মধ্যে নিজ গ্রামে প্রায় এক কোটি টাকার ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মানাধীন। এনবিআর-এর ভ্যাট পলিসি শাখার একজন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শাওন। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত এই কর্মকর্তা কীভাবে এত অল্প সময়ে বিপুল অর্থের মালিক হলেন এ নিয়ে তার নিজ এলাকায় হচ্ছে আলোচনা সমালোচনা।

সরেজমিনে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার হাসনাহাটি লস্করদিয়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায় একটি আধুনিক ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণাধীন। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে ইতোমধ্যে ৭০-৮০ লাখ টাকা খরচ করেছেন শাওন। ভবনটির বেশ কিছু কাজ এখনো বাকি। অথচ বছর কয়েক আগেও শাওনের পরিবারের ছিল একটি ভাঙাচোরা টিনের ঘর।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, শাওনের বাবা মীর আবদুল আলীম একসময় গ্রামের একটি সিমেন্ট দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। পরে ঢাকায় গিয়ে একজন সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে চাকরি করেন তিনি। সেই টানা পরানের সংসারেই বেড়ে ওঠেন শাওন। মেধাবী ছাত্র শাওন পড়াশোনা করেন ঢাকার হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে।

তবে নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে অতি কষ্টে বড় হলেও শাওন সরকারি চাকরিতে যোগদান করার পর এখন আলিশান জীবন যাপন করেন।

ভ্যাট পলিসি শাখার একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, কয়েক বছরের চাকরিজীবনে এত অর্থ সম্পদের মালিক হওয়া অসম্ভব। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব।” যদিও পরে তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। অভিযুক্ত শাওনের সঙ্গে মোবাইল নম্বর এ যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি হেসে উড়িয়ে দেন এবং আর কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

তার নিজ গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, এনবিআর-এর ভ্যাট পলিসি শাখা এমনিতেই সংবেদনশীল একটি জায়গা। অনেকে আশঙ্কা করছেন, শাওনের হঠাৎ এই বিত্তবৈভবের পেছনে রয়েছে অস্বচ্ছ উৎসের অর্থ।

স্থানীয়দের দাবি, শাওনের সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখা হোক। এ বিষয়ে তারা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

Facebook Comments Box


এই ক্যাটাগরির আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর