সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
বিয়ের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ জালালের বিরুদ্ধে  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরও ফের শোন-অ্যারেস্ট শাহেদ দুর্নীতিতে ওস্তাদ ওয়াসার হারুন অর রশিদ বায়রা সদস্য কল্যাণ পরিষদের সদস্য সম্মাননা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গণপূর্তের দুর্নীতিবাজ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেনের দুর্নিতির গল্প আওয়ামীলীগ থেকে রাতারাতি বিএনপি নেতা বনে যাওয়া আব্দুল হক লালমনিরহাট ডিপ্লোমা টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন অধ্যক্ষ রেজাউল করিম হোসাফ পাওয়ারের ব্যাপক অর্থ কেলেঙ্কারি

ইডেন মহিলা কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ভর্তি ও নিয়োগ পরীক্ষার সম্মানী বন্টনে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ!

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৯:০৭ অপরাহ্ণ

 

ইডেন মহিলা কলেজের পাবলিক এবং বিভিন্ন ভর্তি ও নিয়োগ পরীক্ষার নীতিমালায় স্পষ্টত: অনিয়ম রয়েছে। এ কারণে শিক্ষকদের এই সকল পরীক্ষা পরিচালনার জন্য একটি ‘সুষ্ঠ নীতিমালা’ প্রণয়়নের দাবি করে আসছেন। বিগত সময়ে়র অধ্যক্ষরা তাদের রাজনৈতিক খুঁটির জোরে এবং অফিসের সহায়তায়় নিজেদের ইচ্ছেমতো পরীক্ষাগুলো পরিচালনা করেছেন সরকারি পরিপত্রের তোয়াক্কা না করে। সে সময় সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা একটি সুষ্ঠ নীতিমালা প্রণয়়নে ব্যর্থ হয়ে়ছেন।

জুলাই অভ্যুত্থানের পরে অর্ন্তবর্তীকালীন সংস্কারপন্থী সরকারের সময় বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শামসুন্নাহার দায়িত্বপ্রাপ্ত হবার পর সকল শিক্ষক আশান্বিত হয়েছিলেন যে, এবার হয়তো ‘সুষ্ঠ নীতিমালা’ প্রণয়়ন হবে। কিন্তু অধ্যক্ষের দায়ি়ত্ব নেবার পর দেখা যায়় যে বিভিন্ন বিষয়ে় তিনি একাডেমিক কাউন্সিলকে পাশ কাটিয়ে একক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ।
তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মেরও অভিযোগ রয়েছে, তিনি সরকারি পরিপত্রের তোয়াক্কা না করে, নিজের ইচ্ছে মতো বিশেষ করে একদিনের নিয়োগ পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষার কমিটি গঠন, ভিজিলেন্স এর দায়িত্ব বন্টন করছেন। সম্মানী বন্টনে ব্যপক আর্থিক অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। এখানে উল্লেখ্য ইডেন মহিলা কলেজ ব্যতীত বাকি সরকারি প্রায় ছয় কলেজেই একই রকম নীতিমালায়় বিভিন্ন নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষা পরিচালিত হয়। ঢাকার আশেপাশের কলেজগুলোতে একই বন্টন নীতিমালায়় সম্মানী বন্টিত হয়। শুধুমাত্র ইডেন মহিলা কলেজে এই নীতিমালা প্রণয়়ন করা যায়়নি।

অভিযোগ রয়েছে, যেখানে একজন কক্ষ প্রত্যবেক্ষক এক ঘন্টা এবং দেড় ঘন্টার পরীক্ষায়় ১৬০০/-টাকা এবং ১৮০০/-টাকা সম্মানী পান। সেক্ষেত্রে কোন কোন ক্ষেত্রে অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষ লক্ষাধিক এবং তার কাছাকাছি টাকা নিয়ে় থাকেন । কলেজের হেড ক্লার্ক এবং হিসাব রক্ষকও একজন কক্ষ প্রত্যবেক্ষকের চেয়ে ১০গুন থেকে ১২গুণ টাকা বেশি পেয়ে় থাকেন। ফলে শিক্ষকদের মধ্যে মারাত্মক ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়ে়ছে। অতি সম্প্রতি অধ্যক্ষ নিয়োগ পরীক্ষার বন্টন নীতির পরিবর্তন এনেছেন কিন্তু একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনের প্রয়োজন বোধ করেননি । প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটা তার একান্ত নিজের সিদ্ধান্ত, তিনি ইচ্ছা করলে একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নাও নিতে পারেন। এ কারণে শিক্ষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। শিক্ষকরা এ বিষয়ে দ্রুত সমাধান চান।

Facebook Comments Box


এই ক্যাটাগরির আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর