ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে অন্যের বন্দোবস্ত নেয়া জায়গা দখল করে দোকান ওঠানোর অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাশালীর বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও থানার ওসি বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে ও কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, আশুগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সালাহ উদ্দিন উপজেলার সোনারামপুর এলাকায় ১৮০০ বর্গফুটের একটি জায়গা রেলওয়ে থেকে বন্দোবস্ত আনেন।
২০২৪ সালের ৩১ জুলাই রেলওয়ের বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কার্যালয় থেকে প্রতিনিধি দল এসে জায়গাটি বুঝিয়ে দেন। সেই মোতাবেক মো. সালাহ উদ্দিন নিয়মিত খাজনাও পরিশোধ করছেন।
মো. মজনু মোল্লা ও শফিকুল ইসলাম প্রকাশ ছোট্ট আবু নামে এক ব্যক্তি সম্প্রতি তার জায়গায় দুটি দোকান ঘর নির্মাণ করেন ও আরেকটি ঘর নির্মাণ করছেন।
সালাহ উদ্দিনের পক্ষে তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম এ বিষয়ে ২৬ অক্টোবর লিখিত অভিযোগ দেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খাদ্যগুদাম সংলগ্ন এলাকায় রেলওয়ের ওই জায়গাটি অবস্থিত। পুকুর পাড় ঘেঁষে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ একাধিক ব্যক্তিকে জায়গা বন্দোবস্ত দিয়েছে। এর মধ্যে সালাহ উদ্দিন সেখানে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করেননি। জায়গায় একটি নতুন ঘর নির্মাণ কাজ চলছে।
মো. মজনু মোল্লা বলেন, আমিও রেলওয়ে থেকে জায়গা বন্দোবস্ত এনেছি। ত্রিশ বছরের বেশি সময় ধরে রেলওয়ের ওই জায়গাতে আমি আছি। গত বছর নতুন করে দুটি দোকান করেছি, যা আমাকে নির্ধারণ করে দেয়া জায়গার মধ্যে পড়েছে। নতুন যে ঘরটি করা হচ্ছে সেটির সঙ্গে আমি জড়িত নই।