সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
বিয়ের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ জালালের বিরুদ্ধে  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরও ফের শোন-অ্যারেস্ট শাহেদ দুর্নীতিতে ওস্তাদ ওয়াসার হারুন অর রশিদ বায়রা সদস্য কল্যাণ পরিষদের সদস্য সম্মাননা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গণপূর্তের দুর্নীতিবাজ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেনের দুর্নিতির গল্প আওয়ামীলীগ থেকে রাতারাতি বিএনপি নেতা বনে যাওয়া আব্দুল হক লালমনিরহাট ডিপ্লোমা টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন অধ্যক্ষ রেজাউল করিম হোসাফ পাওয়ারের ব্যাপক অর্থ কেলেঙ্কারি

দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
আপডেট : শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫, ১১:৪০ অপরাহ্ণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় সোহরাব মিয়া (২৮) নামে একজন নিহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত তিনজনকে কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরে চাতলপাড় বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহরাব মিয়া চাতলপাড় ইউনিয়নের মোল্লা গোষ্ঠীর সমর্থক। তিনি ওই ইউনিয়নের চান মিয়ার ছেলে।

জানা গেছে, চাতলপাড় ইউনিয়নের উল্টা গোষ্ঠী ও মোল্লা গোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের একটি প্রথা আছে, কে বেশি ক্ষমতাধর, কে কত বেশি টাকার মালিক, কে কত বেশি মারামারি করতে পারে। এসব বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা লেগেই থাকে।

এসব ঘটনায় তাদের মধ্যে এলকায় একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। স্থানীয়ভাবে বিচার শালিসের মাধ্যমে কিছু বিরোধ নিষ্পত্তিও হয়েছে।

সবশেষ, শনিবার দুপুরে পূর্ব বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। দুপুর দুইটার দিকে দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে মোল্লা গোষ্ঠীর একজন নিহত হন এবং উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।

আহতদের অনেকেই নাসিরনগর না এসে কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর আহতদের মধ্যে তিনজন মোল্লা গোষ্ঠীর। তারা হলেন- নেয়ামুল মিয়া, বাবুল মিয়া ও সুরাফ মিয়া। তাদের কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

চাতলপাড় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দুই গোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ মারামারি শুরু হয়। একজন নিহত হয়েছেন। লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। বন্ধ রয়েছে পুরো বাজার। মৃত্যুর ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর চাতলপাড় বাজারের প্রায় ৫ শতাধিক দোকানঘর বন্ধ হয়ে গেছে।

মো. আলাউদ্দিন বলেন, আমাদের লোকদের সবসময় তারা মারধর করত। এর জেরে আজ এ ঘটনা ঘটে। বাজারে আমাদের ২০টি দোকান লুটপাট করে কয়েক কোটি টাকার মালামাল নিয়ে গেছে।

মোল্লা গোষ্ঠীর পক্ষের মোতাহার হোসেন বলেন, আমাদের ওপর মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে অতর্কিত হামলা করে আলাউদ্দিনের লোকজন। এর মধ্যে সোহরাবকে টেটা দিয়ে আঘাত করে মেরে ফেলেছে। আরও দু’জনের জীবন সঙ্কটাপন্য।

নাসিরনগর থানার ওসি মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, একজনের মৃত্যুর খবর শুনেছি। লুটপাটের বিষয়টি জানি না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শানিহা নাসরিন বলেন, সংঘর্ষে একজেনর মৃত্যুর খবরের পর লুটপাটের ঘটনা শুনেছি। আমি সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে কথা বলেছি।

Facebook Comments Box


এই ক্যাটাগরির আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর