পর্ব-১
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প প্রতিষ্ঠানের পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে কর্মরত আছেন উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা কাজী মাহবুবুর রশিদ। কর্মজীবনের পাশাপাশি নারী ঘটিত বিষয়গুলো যেন তার জীবনে উল্লেখযোগ্য বিষয়। প্রকাশ্যে এবং গোপনে মিলিয়ে ৩ টি বিয়ে করেছেন তিনি। এর বাহিরেও তার রয়েছে একাধিক বান্ধবী।
ঘরে বউদের রেখে বিভিন্ন নারীদের সাথে সময় কাটাতে বেশি পছন্দ করেন কাজী মাহবুবুর রশিদ। যেকোনো বয়সের নারীদের সাথে বন্ধুত্ব করতে পছন্দ করেন তিনি। পছন্দের তালিকা থেকে বাদ যায়নি নিজের পিয়নের স্ত্রীও। গোপালগঞ্জে দীর্ঘদিন চাকুরির সুবাদে সেখানে একাধিক অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে ।
তার পিওনের স্ত্রী লাভলী আক্তার সহ একাধিক নারীর সাথে সম্পর্ক রেখে চলেছেন এই আমলা। বিভিন্ন সময়ে স্ত্রীরা তার নারিকেলেঙ্কারি নিয়ে আপত্তি তুললে, স্ত্রীদেরকে নানা নি/র্যা/ত/ন নিপীড়ন চালান তিনি।
এ ব্যাপারে তা স্ত্রীরা জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
এসব বিষয়ে জানতে একাধিকবার কাজী মাহবুবুর রশিদের মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
কাজী মাহবুবুর রশিদের নারিকেলেঙ্কারি ও অনিয়মের আরো বিস্তারিত থাকছে দ্বিতীয় পর্বে...